লাইভ ভিডিও
নিচের খবরের সম্পূর্ণ ভিডিওটি দেখতে এখনই বাটনে ক্লিক করুন!

Top News

হিজড়া সুন্দরী হলেও তাঁদের ৩টি জিনিস ভুলেও হাত দিয়ে ধরবেন না

 হিজড়া সুন্দরী হলেও তাঁদের ৩টি জিনিস ভুলেও হাত দিয়ে ধরবেন না


হিজড়া আল্লাহর সৃষ্টির সেরা জীব আশরাফুল মাখলুকাতের এক অনন্য মানব সম্প্রদায়। এ মানব সম্প্রদায় সম্পর্কে আমাদের মন-মগজে এক ভিন্ন নেতিবাচক বদ্ধ ধারণা বিদ্যমান রয়েছে। ফলে সমাজে অতি কাছে থেকেও হিজড়াদের সম্পর্কে আমাদের দায়িত্ববোধের অনাগ্রহ পরিলক্ষিত হয়।প্রতিবন্ধী মানুষের যেমন শারীরিক ত্রুটি থাকে এটি তেমনই একটি ত্রুটি। তবে এই ত্রুটির জন্য তাদেরকে মানব সমাজ থেকে বের করে দেয়া ঠিক না। বরং অন্যান্য প্রতিবন্ধীদের মত তারা আরো বেশি স্নেহ মমতা ও ভালোবাসা পাওয়ার অধিকার রাখে।


হিজড়াদের প্রতি ঘৃণা নয়, ভালোবাসা -স্নেহ এবং গুরুত্ববোধ দরকার। গুরুত্বহীনতায় সমাজের যেকোন মানুষ ধীরে ধীরে বিচ্ছিন্নবাদীতে পরিণত হয়ে নানা অপকর্মে জড়িয়ে পড়ে।বাংলা একাডেমীর সংক্ষিপ্ত বাংলা অভিধান বলছে, ‘হিজড়া’ শব্দটি হিন্দি ভাষা থেকে এসেছে। হিজড়া বিষয়ক একজন গবেষক বলেন, হিজড়া শব্দটি এসেছে ফার্সি থেকে। ফার্সি ভাষায় হিজড়া অর্থ হল ‘সম্মানিত ব্যক্তি’।


হিজড়া প্রকৃতপক্ষে নারী-পুরুষের বাইরে আল্লাহর সৃষ্টি আরেকটি লিঙ্গ বৈচিত্রের মানবধারা। আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কোরআন মাজিদে বলেন, তিনি আল্লাহ মাতৃগর্ভে তোমাদেরকে যেমন ইচ্ছা তেমন রূপ দেন...(আল ইমরান-৬)।


মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, নিশ্চয়ই আল্লাহ তায়ালা তোমাদের চেহারা এবং সম্পদ দেখেন না বরং তিনি তোমাদের হৃদয় এবং আমলসমূহ দেখেন। ( সহি মুসলিম -৬৭০৮)


যৌন বৈচিত্রের ভিত্তিতে পৃথিবীতে মোট চার ধরনের হিজড়ার অস্তিত্ব পাওয়া যায়।


ক. পুরুষ (তবে নারীর বেশে চলে) তাদের আকুয়া বলে। এরা মেয়েদের বিয়ে করতে পারে।


খ. নারী (বেশেও তাই, তবে দাড়ি মোঁচ আছে) তাদের জেনানা বলে। তারা পুরুষের কাছে বিয়ে বসতে পারে।


গ. লিঙ্গহীন (বেশে যাই হোক) তাদের খুনসায়ে মুশকিলা বলে। এরা কারা সে বিষয়ে বিজ্ঞ চিকিৎসক সিদ্ধান্ত দিতে পারেন।ইসলামী শরীয়া অনুযায়ী হিজড়া বলা হয়, যার পুরুষ লিঙ্গ ও স্ত্রী লিঙ্গ উভয়টি রয়েছে অথবা কোনটিই নেই। মূত্রত্যাগের জন্য একটি ছিদ্রপথ রয়েছে।একই দেহে স্ত্রী ও পুরুষ চিহ্নযুক্ত অথবা উভয় চিহ্নবিযুক্ত আল্লাহর সৃষ্টি মানুষটি হলো হিজড়া।


সৃষ্টিগতভাবে সব মানুষই নিখুঁত নয়।কারো হাত নেই ,কারো পা নেই, কেউ চোখে কম দেখে, কেউ কানে কম শোনে, কেউ কথা বলতে পারেনা ,কারো বুদ্ধি কম, তবু এরা সবাই এক আল্লাহর সৃষ্টি।


এদেরকে আমরা প্রতিবন্ধী বলি। কিন্তু অবহেলায় ফেলে দেয় না। বরং বেশি আন্তরিক হই। যেমন, এদের জন্য সমাজে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে অন্ধ হাফিজিয়া মাদ্রাসা, বধির- প্রতিবন্ধী স্কুল। অপরদিকে ধর্মীয় দায়ীদের পক্ষ থেকে চলছে বোবাদেরকে নিয়ে তাবলীগ জামাতের জোর মেহনত।


ফলশ্রুতিতে সমাজের এসকল প্রতিবন্ধী ইসলামের আলোয় নিজেকে আলোকিত করার নতুন দিগন্ত পেয়ে দুনিয়া ও আখেরাতের সফল মানুষ হবার প্রয়াসী হচ্ছে। যেহেতু হিজড়ারাও এক ধরনের প্রতিবন্ধী, ইসলামের সকল হুকুম-আহকাম জানার -মানার অধিকার ও দায়িত্ব তাদেরও রয়েছে।


ইসলাম হিজড়াদেরকে গুরুত্বহীন মনে করেনা বিধায় ইসলামী শরীয়ত মিরাছ তথা সম্পদ বন্টনের ক্ষেত্রে তাদের জন্য পরিস্কার নীতিমালা প্রণয়ন করেছে।


ইসলামি শরীয়া অনুযায়ী হিজড়া সন্তান তারা মা- বাবার সম্পত্তির ভাগ পাবে। এবং উত্তরাধিকার সম্পদে তারা নারী হিসেবে পাবে নাকি পুরুষ হিসেবে পাবে সেটা ইসলামী শরীয়াত নিশ্চিত করেছে।যে হিজড়া নারী বা পুরুষ প্রকৃতির সে নারী বা পুরুষের মানদণ্ডে উত্তরাধিকার সম্পদ পাবে।আর যে নারী নাকি পুরুষ এর কোনটিই চিহ্নিত করা যায়না সে তার প্রসাবের পথের অবস্থা অনুযায়ী ভাগ পাবে। (সূত্র সুনানে বায়হাকী, হাদিস নং ১২৯৪)।

🎁 Your Special Offer is Loading...

Please wait a moment. You'll be redirected automatically after the countdown.

10s

⏳ Stay here — your offer will open in a new page.
✅ Redirect happens only once per session.

Post a Comment

Previous Post Next Post